কুমার বিশ্বজিত : Tag

ইদানিং-২ (যোজন যোজন দূর)

ইদানিং-২ (যোজন যোজন দূর)

এই জীবন একটা নদী ছিল, নদীতে প্রাণ নৌকা ছিল, নৌকাতে মন মাঝি ছিল, মাঝির হাতে বাঁশি ছিল, সেই বাঁশিতে ধরল যখন সুর, তুমি তখন যোজন যোজন দূর।। চিতায় যেমন মানুষ পোড়ে, তেমনি করে পোড়ে আমার মন, সে ধোঁয়াতে জন্মেরে মেঘ, চোখেতে তাই বৃষ্টি সারাক্ষণ।। এই চোখে এক আকাশ ছিল, আকাশ ভরা...
যারে ঘর দিলা সংসার দিলা রে

যারে ঘর দিলা সংসার দিলা রে

http://www.youtube.com/watch?v=lw7mXRSnZI0 যারে ঘর দিলা সংসার দিলা রে তারে বৈরাগী মন কেন দিলা রে যে অন্তরে ভালবাসা স্বপন জীবন ভর সেই অন্তরে কত জ্বালা কত ঘৃণা পর যারে নয়ন দিলা যারে নয়ন দিলা আলো দেখিতে গুরু আঁধার জীবন কেন দেও তারে আঁধার জীবন কেন দেও তারে...

দেখি যখনই তোমায় আমার এই চোখের আঙিনায়

দেখি যখনই তোমায় আমার এই চোখের আঙিনায় ভুলে যাই হৃদয়ের যত বেদনা আমার আড়ালে রাখো নিজেকে যখন পারি না সাজাতে অগোছালো মন পৃথিবীতে যত সুখ সবটুকু তার খুঁজে পেয়েছে হৃদয় শুধু যে তোমার ছায়ায় তোমাকে ছাড়া কাটে না প্রহর হৃদয়ে বয়ে যায় বিরহের ঝড় ভুল করে কখনও ভুলো না আমায় সাথী করেছি...

আমার গহন বুকে

আমার গহন বুকে তারে লুকিয়ে রাখি তাকে নিয়ে অধরা শুধু স্বপ্ন আঁকি তার জানা হলো না তাকে বলা হলো না সে ছাড়া আমি যে এক ডানাভাঙা পাখী চারপাশে যা কিছু সবই মনে হয় যেন তার হাসি মাখা ছবি সে ছবির সাথে কথা বলে তাকে (?) আমি একা একা জেগে থাকি সে ছাড়া আমি যে এক ডানাভাঙা পাখী আমার গহন...

কিছুই নাকি দেইনি তোমায়

কিছুই নাকি দেইনি তোমায় বলো কে করেছে নিঃস্ব আমায় প্রেমেরই এক বৃন্দাবনে ছিলাম রাজা তুমি ছিলে প্রেমে উদাস দুঃখিনি এক প্রজা তোমায় সুখে রাখতে গিয়ে খাজনাবিহীন থাকতে দিয়ে রাজ্য গেল হায়… রাজকোষে জমা করে রেখেছি যা আমি রাখিনি কিছুই যে তার দিয়েছি তো সবই তোমার ঘরে আলো দিতে...

আমি তোমার জন্য

আমি তোমার জন্য বৈশাখী ঝড়ে বানাতে পারি বাড়ী আমি তোমার জন্য জ্যৈষ্ঠের তাপে পোড়াতে সবি পারি, আমি তোমার জন্য আষাঢের মেঘে হয়ে যেতে পারি ক্ষ্রুদ্ধ আমি তোমার জন্য শ্রাবণে স্নানে হয়ে যেতে পারি শুদ্ধ। আমি তোমার জন্য ভাদ্রের আকাশে একলা পাখি আমি তোমার জন্য আশ্বিনে পুষে কষ্ট রাখি...

তোরে পুতুলের মত করে সাজিয়ে

তোরে পুতুলের মত করে সাজিয়ে হৃদয়ের কোঠরে রাখব আর হৃদয়ের চোখ মেলে তাঁকিয়ে সারাটি জীবন ভরে দেখব আমি নেই নেই নেইরে যেন তোরেই মাঝে হারিয়ে গেছি তোর রিণিঝিণি কাঁকণের ছন্দ র্নিঘুম স্বপ্নে বাজেরে আর নন্দিত বাধনের শিহরণ দু’চোখরে জানালায় লাগেরে তোরে রংধনুর সাত রঙে...

ও ডাক্তার

ও ডাক্তার আপনি যখন করবেন আমার ওপেন হার্ট সার্জারি দেখবেন হার্টের মাঝখানে একটা মেয়ে রূপসী ভারি ছুরি কাঁচি সুঁইয়ের খোঁচা তার যেন না লাগে আমার বাঁচা মরা পরে, তার জীবনটা আগে গো ডাক্তার ও ডাক্তার… এই মেয়েটির জন্য বুকে আমার এই অসহ্য ব্যাথা এই ব্যাথার মাঝে লাগছে ভাল...

তুমি আনন্দ আশ্রম আমার মনের

তুমি আনন্দ আশ্রম আমার মনের তুমি অভিনন্দন চির জনমের তুমি ভোরের আকাশ ঝর্ণাধারা তুমি বুকের আঙিনায় কৃষ্ণচূঁড়া তুমি সুখ-স্বপ্ন এই জীবনের আমার মনের… তুমি আশার আলো ভাবনা ……(?) তুমি বাঁধন আমার …..(?) আমরা সাথী হব শেষ মরণে আমার প্রেমে…...

সবাই বলে ভুইলা যা

সবাই বলে ভুইলা যা কেমন কইরা আমি ভুলি রে যার লাইগা হৃদয় পুইড়া কয়লারে মোর ময়নারে… কেমন কইরা ভুলি যে তারে হইল জীবন বালুচর আপন হইল আমার পর রে তবু তারে এ অন্তরে রাখিরে মোর ময়নারে… কেমন কইরা ভুলি যে তারে দিনে রাইতে আষাঢ় মাস দুচোখে দিয়া আমার ঝরে রে হৃদয় ভরা...

তুমি পাগল বলো আর নিঠুর বলো

তুমি পাগল বলো আর নিঠুর বলো সবই তোমার আমি তুমি নিঃস্ব হবে কভু থেমে গেলে আমার এমন পাগলামি আমি নাকি ছন্নছাড়া বড় অভিমানী তোমার অভিযোগে হলাম যে আসামী কিছু জ্বালা দেবার ভালোবাসা দেবার একজনইতো আমি তুমি নিঃস্ব হবে কভু থেমে গেলে আমার এমন পাগলামি তোমারি আঘাত পেলে এ হৃদয় বেঁকে...

জন্মিলে মরিতে হবে

জন্মিলে মরিতে হবে ওরে…এ ভবের রঙ্গ হবে যে ভঙ্গ সবই সাধেরি অঙ্গ তোমার মাটিতে মিলাবে ওরে ও ভাই হুঁশ কারো নাই জীবনের সময় বেশীদিনের নয় কে খাবে তোমার এ সঞ্চয় ওরে…বেশী খাওয়ার জায়গা নাই তবু করো খাই খাই এ খাওয়ার রাস্তা তোমার বন্ধ হয়ে যাবে ওরে ও ভাই হুঁশ কারো নাই...

ও পাড়েতে বন্ধুর বাড়ি

ও পাড়েতে বন্ধুর বাড়ি এ পাড়েতে আমি মাঝখানে ভরা গাঙে ঢেউয়ের মাতলামি রে ও পাড়েতে তুমি বন্ধু এ পাড়েতে আমি এ পাড়েতে আমি বইসা দিবা-নিশি কান্দি স্মৃতিরই সেই ঝরা ফুলে দুঃখের বাসর বান্ধি ও পাড়েতে তুমি বন্ধু মত্ত রইলা নিজে একা জোয়ার ভাটা দেইখা গেলাম কপাল পোড়া আমি রে ও পাড়ে...

একদিন কান্নার রোল উঠবে আমার বাড়িতে

একদিন কান্নার রোল উঠবে আমার বাড়িতে আমায় নতুন করে দেখতে সবাই আসবে সারি সারিতে বন্ধু-বান্ধব আসবে যারা নানা প্রশ্ন করবে তারা বন্ধু-বান্ধব আসবে যারা কত প্রশ্ন করবে তারা আমি থাকব শুয়ে বালিশ ছাড়া পারব না ঠোঁট নাড়িতে আপন যারা তারা এসে সাজাবেরে নতুন বেশে আমি টিকিট ছাড়া উঠবো...

আমার চোখের দেখা ভুল হলো

আমার চোখের দেখা ভুল হলো তোমার মনটা জানার পরে তোমার বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে মুখটি তোমার পূর্ণিমার চাঁদ মনটা অমাবস্যা আজকে যদি রোদ্র থাকে কালকে দেখি বর্ষা তুমি কেমনতরো মানুষ রে আমি হাড়ে হাড়ে বুঝি রে বাইরে থেকে যায়নি বোঝা বিষ আছে অন্তরে মিষ্টি কথার অন্তরালে...

বসন্ত ছুঁয়েছে আমাকে

বসন্ত ছুঁয়েছে আমাকে ঘুমন্ত মন তাই জেগেছে এখন যে প্রয়োজন তোমাকে নিঃসঙ্গ এই হৃদয়ে বিমূর্ত সন্ধ্যার গোধুলিতে প্রিয় প্রসঙ্গ (?) হয়েছে জীবন সেখানে থেমে যায় যেখানে খুঁজেছি তোমার তাই যে প্রয়োজন তোমাকে নিঃসঙ্গ এই হৃদয়ে নিবিড় প্রেমের কাহিনীতে স্মৃতিগুলো উঁকি দেয় চাওয়া পাওয়ার...

আমি নির্বাসনে যাব না

আমি নির্বাসনে যাব না মাথা ভরা জটা চুলে মুনিঋষি হব না আমি তুমি ছাড়া বাঁচতে পারি তুমি ছাড়া হাসতে পারি পারি আমি পালটে দিতে তোমার মিছে ধারনা পাগল হয়ে পাগল গারদ ধরে কভু কাঁদবো না দাড়িগোফে মুখটা ঢেকে দেবুবাবু সাজবো না আমি ভালোবাসার মূল্য জানি ভালোবেসে মরতে জানি মন থেকে...

তুমি রোজ বিকেলে আমার বাগানে

তুমি রোজ বিকেলে আমার বাগানে ফুল নিতে আসতে জানিনা তুমি ফুল না আমাকেই বেশি ভালবাসতে প্রতিদিন তুমি দেখতে আমায় গোলাপের আড়ালে লুকিয়ে যখনই চোখে চোখ পড়তো লজ্জায় যেতে শুধু পালিয়ে। কি ছিল তোমার মনে কি ছিল তোমার মনে পারিনি তা আজো জানতে স্বপনের মত গেলে কোথায় অজানাই হারিয়ে কে...

তুমি রাত আমি দিন

তুমি রাত আমি দিন পাশাপাশি প্রতিদিন তবু কেন মুখ কারো দেখা হলোনা কোনদিন তুমি চাঁদ আমি আকাশ একি শূণ্যে মোরা করি বসবাস তবু রয়েছি কতদূরে দুজনায় চিরদিন তুমি ফুল আমি বাগান আমার বুকের মাঝে তোমার প্রাণ তবু চলে যাও বুক চিঁড়ে কারো বুকে চিরদিন ————-...

চন্দনাগো রাগ করোনা

চন্দনাগো রাগ করোনা অভিমান করে বলো আর কি হবে অভিমান করে বলো আর কি হবে তৃষ্ণার জল নিয়ে এসোনা তবে সব গান থেমে যায় সব ফুল ঝরে যায় লজ্জা বসন ছেড়ে এসোনা তবে ——————- শিল্পীঃ কুমার...
Page 1 of 212