জেমস : Tag

জানালা ভরা আকাশ (এই শহরের কত শত অট্টালিকার ফাঁকে)

এই শহরের কত শত অট্টালিকার ফাঁকে আমার জানালা ভরে ছবি হয়ে ঝুলছে আকাশ আমি আর এক ফালি নিষ্পাপ চাঁদ সারারাত কথা বলে হয়েছি উদাস এখন রাত জেগে জানালায় মাথা রেখে তুমিও কি দেখছো আকাশ আমারই মত আমি আর এক ফালি নিষ্পাপ চাঁদ সারারাত কথা বলে হয়েছি উদাস নির্জন এই রাতে ও-চাঁদ প্রিয়...
রাখেনি আমায় কেউ তোর মত করে

রাখেনি আমায় কেউ তোর মত করে

রাখেনি আমায় কেউ তোর মত করে রাখেনি আমায় কেউ তোর মত করে বুকের ভিতরে আঁচলে পুরে, কেউ বাসেনি এত ভাল মোরে কেমনে বন্ধু, বন্ধু ভুলি তোরে। কেউ দেখেনি, কেউ দেখেনি আমার চোখে জল তুইতো প্রথম বলেছিলি কষ্টে ভাসে জল। কেউ চোঁয়নি আমার বুকের ব্যথা আরে তুইতো প্রথম চোঁয়েছিলি দিয়ে মুখের...
হৃদয়ের একলা প্রান্তরে স্বপ্নের চিবুক ধরে

হৃদয়ের একলা প্রান্তরে স্বপ্নের চিবুক ধরে

হৃদয়ের একলা প্রান্তরে স্বপ্নের চিবুক ধরে অনন্ত একাকী পড়ে আছি এই আমি অন্ধকার বানী হাল টানে রে আমার রাতের শয্যা শুধু বিষাদের চাদর ও কান্না, প্রজাপতি খুশীরা বিবাগী এখন বিষণ্ণ বহু বিকেলে ধু ধু যমুনার বুকে ঝিঝির কোরাসে- বেজে ওঠে মেলোডি বেদনার বালুচরে জীবনের এই অ্যালবামে...

কবিতা

কবিতা, তুমি স্বপ্নচারিণী হয়ে খবর নিও না কবিতা, এই নিশাচর আমায় ভেবোনা সুখের মোহনা। দেখবে আমাদের ভালবাসা হয়ে গেছে কখন যেন পদ্ম পাতার জল। বেদনা সিক্ত অশান্ত এই মন খুঁজে ফেরে মেটায় প্রয়োজন যতদূর জানে ব্যাকুল হৃদয় নীল বিষের পেয়ালা মনের বাঁধন। নয়ন গভীরে আঙিনায় নিবিড়তার...

বাবা

ছেলে আমার বড় হবে, মাকে বলত সে কথা হবে মানুষের মত মানুষ এক লেখা ইতিহাসের পাতায় নিজ হাতে খেতে পারতাম না, বাবা বলত ও খোকা যখন আমি থাকবনা, কি করবি রে বোকা… এতো রক্তের সাখে রক্তের টান স্বার্থের অনেক উর্ধ্বে হঠাৎ অজানা ঝড়ে তোমায় হারালাম মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ল বাবা...

যদি কখনো ভুল হয়ে যায়

যদি কখনো ভুল হয়ে যায় তুমি অপরাধ নিওনা জানিনা কোনদিন ব্যথার প্রদীপ জ্বেলে চেয়ে থাকা পথ শেষ হবে কিনা॥ মুসাফির আমি খুঁজে খুঁজে ভুল পথে যদি হারিয়ে যাই একদিন হয়তো কখনো আর ফেরা হবেনা অভিমানী পথ চেয়ে দিন গুনো না॥ এই গান যদি সেই রাগিনীতে সুর হয়ে বাজে তোমার কানে জেনে নিও তুমি...

জিকির (প্রলয়ের শিঙায় ফুঁক দিয়ে)

প্রলয়ের শিঙায় ফুঁক দিয়ে ওঠে ইস্রাফিলে চারিদিক থেকে কলবে কলবে রোল পড়ে যায়.. তলে তলে তল্লাটে তল্লাটে জিকির ওঠে॥ হায় হায় করে ওঠে তামাম জাহান, নূরের ঝিলিক দেখে কবর থেকে ওঠে দাঁড়িয়ে সকল ইনসান্….. ইয়া রব ইয়া রব বলে ইয়া রব ইয়া রব বলে… ইয়া রব ইয়া রব বলে…....

যেদিন বন্ধু চলে যাব

যেদিন বন্ধু চলে যাব, চলে যাব বহুদূরে ক্ষমা করে দিও আমায়, ক্ষমা করে দিও মনে রেখ কেবল একজন ছিল, ভালবাসত শুধু তোমাদের চোরা সুরের টানে রে বন্ধু মনে যদি ওঠে গান গানে গানে রেখ মনে ভুলে যেও অভিমান ভরা নদীর বাঁকেরে বন্ধু ঢেউয়ে ঢেউয়ে দোলে গান চলে যেতে হবে ভেবে কেঁদে ওঠে মন...

দুঃখিনী দুঃখ করো না

চেয়ে দেখ উঠেছে নতুন সূর্য পথে পথে রাজপথে চেয়ে দেখ রংয়ের খেলা ঘরে বসে থেকে লাভ কী বলো এসো চুল খুলে পথে নামি, এসো উল্লাস করি দুঃখিনী দুঃখ করো না, দুঃখিনী দুঃখিনী আঁধারের সিঁদ কেটে আলোতে এসো চোখের বোরখা নামিয়ে দেখো জোছনার গালিচা ঘর ছেড়ে তুমি বাইরে এসো চেয়ে দেখো...

জেল থেকে আমি বলছি

দিন রাত এখানেই থমকে গেছে কনডেম সেলের পাথর দেয়ালে প্রতি নি:শ্বাসে মৃত্যুর দিন আমি গুনছি শোনো… জেল থেকে আমি বলছি ।। কতদিন আকাশ দেখিনা আমি দেখতে পারিনা চাঁদ তারা আর বদ্ধভূমির এই সেল টা আমার স্মৃতির স্বপন হারাবার তাই শেষ ক‌‌‌‌‌’টি দিন তোমাকে ভাবি বাতাসকে চুপি...

তোমাদের মাঝে কি কেউ আছে বন্ধু আমার

তোমাদের মাঝে কি কেউ আছে বন্ধু আমার তোমাদের মাঝে কি কেউ আছে পথ ভোলা তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও মুছিয়ে দেবো দুঃখ সবার তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও মুছিয়ে দেবো দুঃখ জ্বালা ওরে কে আছে মুক্ত জীবন নিয়ে ছন্নছাড়া- আপনাকে ভালোবেসে আপনদেশে ঠিকানাহারা তবে বন্ধু নৌকা ভেড়াও মুছিয়ে দেবো দুঃখ...

সমাধি (ঐ ওপারের ডাক)

ঐ ওপারের ডাক, এসে গেছে শেষ খেঁয়া বুঝি হবে পাঁড়ি দিতে, তুমি আসনি অভিমানী, এই মনে অভিমান ভেঙ্গে কোন খোঁজ নিতে, তুমি এসোনা ফুল দিতে, আমার সমাধীতে সেই সৌরভ মাটি পাবে সব কিছু পারবোনা আমি নিতে। অস্তাচলে সূর্য ডুবে গেলে ফিরিয়ে, তাকে কি আনা যায়, ব্যাথার দীর্নতা তোমায় ভাবাবে...

বাংলাদেশ (জেমস)

তুমি মিশ্রিত লগ্ন মাধুরীর জলে ভেজায় কবিতায় আছো সরোয়ার্দী,শেরেবাংলা, ভাসানীর শেষ ইচ্ছায় তুমি বঙ্গবন্ধুর রক্তে আগুনে জ্বলা জ্বালাময়ী সে ভাষন তুমি ধানের শীষে মিশে থাকা শহীদ জিয়ার স্বপন, তুমি ছেলে হারা মা জাহানারা ঈমামের একাত্তরের দিনগুলি তুমি জসীম উদ্দিনের নকশী কাথার...

স্টেশন রোড

স্টেশন রোডে জীবন ধারা ফুটপাথের ঐ নগর নটিরা ভাতের আশায় দিচ্ছে শরীর যেন ত্রিমাত্রিক জীবন্ত ছবি স্টেডিয়ামের জরিনা বিবি ভিষন জ্বরে ঘুম আসেনা ভাতের আশায় দিচ্ছে শরীর যেন ত্রিমাত্রিক জীবন্ত ছবি লোভী দৃষ্টি এখানে সেখানে ছড়িয়ে আছে কিছু মাংসপিন্ড অসহায় মানুষের আর্তনাদে মেঘনা...

দুঃখ কেন করো রে মন

দুঃখ কেন করো রে মন দুঃখ তোমার ঘুঁচবে না ও মন দুঃখ যদি নাই বা পাবে সুখের কদর বুঝতে না হে কাঁদতে কেন চাও রে ও মন কান্না তোমার ফুরাবে না যখন কাঁদতে গিয়ে হেসো এবার শোকের লগন মিলবে না আর কান্না নিয়েই জীবন শুরু কান্না নিয়েই জীবন শেষ মধ্যেখানে থাক না শুধু আনন্দ আর হাসির রেশ...

মীরাবাঈ

মীরাবাঈ হেইলা দুইলা হেইলা দরবার নাচায় ঝাকানাকা ঝাকানাকা ঝাকানাকা দেহ দোলানা মন বলে মন বলে মন বলে দেহ ঝোকা না বাঁকা ঠোঁটের হাসিতে হরিণী চোখের ইশারায় সারা অঙ্গে ঢেউ তুলিয়া থমক থমক কোমর দোলাইয়া মীরাবাঈ… বুনো ফুলের সুবাসে বিরহী মনের কামনায় সারা জলসায় মাতম উঠাইয়া ঝনন...

নীরবে অভিমানী নিভৃতে

নীরবে অভিমানী নিভৃতে করেছ তিলে তিলে নিজেকে শেষ কেন বলো পৃথিবীতে কেউ কারো নয় হয়ে গেছে ভালোবাসা নিঃশেষ বন্ধু ভেঙে ফেল এই কারাগার খুলে দাও…খুলে দাও এ হৃদয়ে প্রেমেরই দ্বার হতেও পারে এই দেখা শেষ দেখা হতেও পারে এই গানই শেষ গান হতেও পারে আমাদের এই মিলনমেলাই এক ইতিহাস...

লুটপাট হয়ে যাবে

চলতি পথে জাদুকর ভালবাসা প্রেমিক ডাকাতের মত তোমাকে ছিনিয়ে নেবে। মৌসুমী বাতাসে উড়ে যাবে ভালবাসা হৃদয়ের চোড়াপথে তুমি হারিয়ে যাবে তুমি লুটপাট হয়ে যাবে তুমি চৌচির হয়ে যাবে চোখের ইশারায় ছুড়ে দেব সুতীক্ষ্ণ চুম্বন তুমি দিশেহারা হয়ে যাবে তুমি পথহারা হয়ে যাবে অনন্ত আকাশে উড়ে...

আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো

সুন্দরীতমা আমার তুমি নিলীমার দিকে তাকিয়ে বলতে পারো এই আকাশ আমার। নীলাকাশ রবে নিরুত্তর মানুষ আমি চেয়ে দেখো নীলাকাশ রবে নিরুত্তর যদি তুমি বলো আমি একান্ত তোমার, আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো তুমি আমার আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো আমি তোমার। ক্যামেলিয়া হাতে এই সন্ধ্যায় ভালবেসে...