তপন চৌধুরী : Tag

গাইলে বৈরাগীর গীত গাইও (ডালেতে লরি চরি)

গাইলে বৈরাগীর গীত গাইও (ডালেতে লরি চরি)

ডালেতে লরি চরি বইও চাতকীর ময়নারে গাইলে বৈরাগীর গীত গাইও মনো হইলে চাতকিনি নদীর ফানি খাইও ফুলো মধু খাইত চাইলে ফুলো বনে যাইও চাতকীর ময়না রে গাইলে বৈরাগীর গীত গাইও ওরে চাতকীর ময়না অঙ্গ তর কালা তর মনে আর আমার মনে একই তি মোর জ্বালা চাতকীর ময়না রে গাইলে বৈরাগীর গীত গাইও দখিন...
আলো ভেবে যারে আমি জীবনে জড়াতে চাই

আলো ভেবে যারে আমি জীবনে জড়াতে চাই

আলো ভেবে যারে আমি জীবনে জড়াতে চাই সে তো আলো নয় যেন আলেয়া নির্জনে আমি শুধু আঁধারে হারিয়ে যাই সে তো আলো নয় যেন আলেয়া শপথের মালা সে তো খুলে ফেলেছে ভালোবাসা স্মৃতিটুকু মুছে ফেলেছে সুখের বাগানে সেতো আগুন জ্বেলেছে না ফোঁটা গোলাপ কলি ঝরে পড়েছে।...
ডায়েরির পাতাগুলো ছিঁড়ে ফেলেছি

ডায়েরির পাতাগুলো ছিঁড়ে ফেলেছি

ডায়েরির পাতাগুলো ছিঁড়ে ফেলেছি যেখানে লিখা ছিল তোমার কথা পারিনি ছিঁড়তে আমি মনের খাতা যেখানে জমে আছে হাজার ব্যথা ভুল করে ভুলে যাওয়া হয় না আমার পুরনো স্মৃতিরা ভাসে চোখে বারেবার জানি পাব না আর ফিরে তবুও থাকবো পথ চেয়ে দিন যায় রাত যায় এই আমি একা তুমি ছাড়া পৃথিবীতে সবই যেন...
আজ তুমি দূর বহুদূর

আজ তুমি দূর বহুদূর

আজ তুমি দূর বহুদূর হারিয়ে ফেলেছি আমি সুর জ্বলে গেছে অন্তর মরে গেছে চাওয়া হবে না হবে না বুঝি আর কোনো গান… কবিতার মতো করে বলতে কথা সে কথাই বুকে বেজে দেয় যে ব্যথা হৃদয়ের নোঙর ছিঁড়েছে বাঁধন পাবে না পাবে না বুঝি জোয়ারের টান ভাগ্যে ছিল বুঝি এই পরিহাস ব্যথারই ধোঁয়ায়...

তুমি অন্তর বাহিরে আছো

তুমি অন্তর বাহিরে আছো জুড়ে আছো জীবনে তাই ভাবতে পারি না কিছুই তোমার বিহনে ঘুম আসলে স্বপ্ন আসে তুমি আসো পায়ে পায়ে ভালোবেসে রাত কেটে যায় স্বপ্ন মায়ায় তুমি থাকো ছবি হয়ে চোখেরই কোনে এই জীবনে পেয়ে তোমাকে মনে হলো সবই চেনা পাওয়ারই আগে নেই কোনো ভয় কিছুই এখন যদি থাকো পাশে পাশে...
পাথর কালো রাত

পাথর কালো রাত

পাথর কালো রাত তারার বাগান শূন্য পৃথিবীটা ঘুমালেও জেগে থাকে যদি কেউ সে আমি তোমারি জন্য তোমার চোখের নীল সীমানার ঐ অথৈ জলের মাঝে ক্ষতি কি গো আমায় যদি তাতে ভাসতে দিয়ে সুখ লাগে আমি তোমার তরে সুখের বসত গড়তে পারি সে হোক না দূর অরণ্য বন্ধু তুমি নীলাঞ্জনা পাশে পাশে থেকো ঘুম...

চাঁদ তারা নদী ফুল আকাশ বলো

চাঁদ তারা নদী ফুল আকাশ বলো উপমা দিতে কিছুই চাইনা কার সাথে দেবো তোমার তুলনা আমার কাছে তুমি অনন্যা তুমি হাসলে ভীড় করে বকুলের গন্ধ তুমি কাঁদলেই ঝড়ে যেন অঝোরে মুক্তো রঙধনু সাতরঙ তোমার চোখে করে গেছে স্বপ্নের ঠিকানা চোখে তাকালে হয়ে যায় এ মন মুগ্ধ কথা বললেই খুঁজে পাই জীবনের...

আমার গল্প শুনে

আমার গল্প শুনে কারো চোঁখের করুণা জল যদি নিয়ে আসে ভীষণ দুঃখ পাবো আমি তো রয়েছি শোকে এক বুক বেদনা নিয়ে দুঃখ আমার কন্ঠেরও মণিহার চাইলেও কেউ পারবেনা ছিঁড়তে হৃদয়ের সাথে হৃদয়ের মতো বাঁধা যে কঠিন বাঁধনে ফুলেরই মালা নয়নের জল শুধু সান্ত্বনা নয় বেদনাই বাড়াবে মূত্যু আমার ছায়ারই...
আমি অনেক ব্যথার শ্রাবণ পেরিয়ে

আমি অনেক ব্যথার শ্রাবণ পেরিয়ে

আমি অনেক ব্যথার শ্রাবণ পেরিয়ে এসেছি তোমার কাছে গানের ফাগুন এখনো আছে দিওনা আমায় ফিরিয়ে কতবার আমি ফিরে চলে গেছি হাসিমুখে কত ব্যথা ভুলে গেছি রয়েছি তোমারি জীবনে মরনে তোমারি স্বপ্ন নিয়ে কতবার কত গান থেমে গেছে কতনা আশার ফুল ঝরে গেছে গেঁথে গেছি আমি ব্যথারই শ্রাবণে মনটা...

আজ ফিরে না গেলেই কি নয়

আজ ফিরে না গেলেই কি নয় সন্ধ্যা নামুক না জোনাকি জ্বলুক না নির্জনে বসি আরো কিছুটা সময় কিছুটা সময় ঘাসের আঙিনায় আধো শোয়া তোমার আমার মুখ জোছনা ধোয়া এ যেন নতুন চোখে তোমাকে চাওয়া এ যেন নতুন করে তোমাকে পাওয়া এ যেন নতুন পরিচয় এমন রুপালী রাত নাই হোক ভোর শিশির ছুঁয়ে যাক উষ্ণ অধর...

আকাশের সব তারা ঝরে যাবে

আকাশের সব তারা ঝরে যাবে আমার চোখের তারা ঝরবে না তোমাকে দেখার সাধ মরবে না গো তোমাকে দেখার সাধ মরবে না একটি জনম নয়, হাজারও জনম তোমাকে দেখি যদি সেও বড় কম ও সেও বড় কম একে একে সব পাওয়া হয়তোবা ফুরাবে আমার এ মন তবু ভরবে না মরণ যতই হোক অথৈ আঁধার পারবে না ঢেকে দিতে এই অধিকার...

আমি তোমার নাম লইয়া কাঁন্দি

পরাণ বন্ধুরে আমি তোমার নাম লইয়া কাঁন্দি গগনেতে ডাকে দেয়া আসমান হইলো আঁন্দি। তোমার বাড়ী আমার বাড়ী মধ্যে সরূ নদী সেই নদীকে মনে হইলো অকুল ও জ্বলদি রে বন্ধু আমি তোমার নাম লইয়া কাঁন্দি। উড়ীয়া যায়রে সুখুয়ার পংক্ষী পইড়া রইলো ছাঁয়া কোন পরাণে বিদেশ রইলা ভূলি দেশের মাঁয়ারে...

বল মন বল

বল মন বল, কে সুখী বল কতটা মেঘে কতটা জ্বল কতটা সুখে কতটা ফাগুন কতটা দুঃখে কতটা আগুন। সুখ পাখি গেছে উড়ে চেনা পথ ভূল করে আমি একা দূরে বহুদুরে শ্রাবন আকাশটা অভিমানি মনটা এক নদী হল দুচোখে কে যেন আমাকে রাখে। নীল রাতে মেঘ এল তারা গুলো নিভে গেল আমি আজও বড় এলোমেলো দখিনা...

কেমন আছ সন্ধ্যাতারা

কেমন আছ সন্ধ্যাতারা দূর সুদূরে আমাকে ছাড়া আমিতো আছি আগেরি মত বুকে নিয়ে সেই পুরোনো ক্ষত মনে পড়ে তোমায় প্রতিনিয়ত। চেনা চেনা সেই প্রিয়মুখ আজ কেন নতুন ঠিকানায় সজানো হয়তো জীবন ভোর লাগা চাঁদ জ্যোৎস্নায় আঁধারের ফুলে চেয়েছে এই মনের স্বপ্ন যত। চুপিচুপি পালিয়ে গেছে খেয়ালী...

এই রূপালি চাঁদে তোমারই হাত দুটি

এই রূপালি চাঁদে তোমারই হাত দুটি মেহেদি লাল রঙে আমি সাজিয়ে দিতে চাই আহা কি শোনালে মন রাঙালে এভাবে সারা জীবন যেন তোমাকে কাছে পাই শুধু একটি গোলাপ চেয়ে পাঠালে চিঠি শুনে মনের আকাশে ভাসে তারা মিটিমিটি তুমি কাছে এসে এ হৃদয় রাঙালে যদি তাতে আমারই নাম লিখে যাই আমি তোমাকে পেয়ে...
তুমি কেমনে এত নিঠুর হইলা

তুমি কেমনে এত নিঠুর হইলা

তুমি কেমনে এত নিঠুর হইলা অন্তর পোড়াইয়া ভালোবাসার সব শিখাইয়া না চাইলা ফিরিয়া দুঃখ আমার ভালোবাসা দুঃখ আমার জীবন আমার দুঃখের মাঝে সুখ খুঁজেছি সারাটা জনম তুমি কাছে আইসা দুঃখটারে বাড়াইয়া গেলা এই জনমে তোমার আমার হইব নারে মিলন আমার বুকের ভিতর আগুন জ্বলে তুষেরই মতন আমি আরেক...

বুকের ভিতর দমের মেশিন

বুকের ভিতর দমের মেশিন দিলা ফিট করিয়া সেই মেশিনে জং ধরিল বিরহ লাগিয়া পরানটারে দাও না বিধি ঝালাই করিয়া পূর্বের সূর্য পশ্চিমে যায় আকাশ যে হয় যে লাল দুঃখের সূর্য অস্ত যায় না থাকে চিরকাল ………………(?) ছুটির ঘন্টা ডাকিয়া কয় দিন হইল যে শেষ...

শত বরষার জল চোখে ছিল টলমল

শত বরষার জল চোখে ছিল টলমল আমার জন্য শুধু এক ফোঁটা জল তুমি ফেললে না যাবার বেলায় তুমি কোন কথা আমাকে বললে না কেন বললে না…এক ফোঁটা জলও তুমি ফেললে না বিদায় দিলে না বিদায় নিলে না মনে হলো আমি যেন অপরিচিত অথচ তোমায় নিয়ে কাব্য করেছি আমি …(?) মত কিদারুন অভিমানে...

মন তো সেই কবে মরে গেছে

মন তো সেই কবে মরে গেছে স্মৃতির অতলে তাকে দিয়েছি কবর এতদিন পর বুঝি পড়লো মনে তাই কি নিতে এলে আমার খবর ঝরে যাওয়া ফুল কি বৃন্তে আবার শোভা পায় শুকিয়ে অবশেষে লুটায় পথের ধূলায় আমিও তেমন করে হয়েছি বিলীন দুঃখ আমার তাই হয়েছে দোসর ছিল যত স্বপ্ন মিথ্যে হলো দুরাশায় তুমি তো খেলার...
Page 1 of 212