লতা মঙ্গেশকর : Tag

ভাল করে তুমি চেয়ে দ্যাখো

ভাল করে তুমি চেয়ে দ্যাখো দ্যাখো তো চিনতে পারো কি না আমার দু’চোখে চোখ রেখে দ্যাখো বাজে কি বাজে না মনোবীণা ? সোনালী বিকেলে গাছের ছায়ায় মুখোমুখী বসে নীল সন্ধ্যায় জীবনান্দ তুমি তো শোনাতে ভেবে দ্যাখো মনে পড়ে কি-না ? পটভূমিকায়, শহিদ মিনার নাগরিক চাঁদ উঠেছে আবার “বনলতা সেন”...
যদিও রজনী পোহালো তবুও দিবস কেন যে এলো না এলো না

যদিও রজনী পোহালো তবুও দিবস কেন যে এলো না এলো না

যদিও রজনী পোহালো তবুও দিবস কেন যে এলো না এলো না সজন মেঘের পরান ঝরিয়া বরিষণ কেন হলো না হলো না লোকে মরে কলঙ্কিনী নাম দিয়ে বোঝে না তো কত জ্বালা মনে নিয়ে বলে বলুক লোকে মানি না মানি না কলঙ্ক আমার ভালো লাগে পিরিতি আগুনে জীবন সঁপিয়া জ্বলে যাওয়া আজ হলো না হলো না এমন পথ...

না যেও না

না যেও না, না যেও না, রজনী এখনও বাকী আরও কিছু দিতে বাকী বলে রাত জাগা পাখি। না যেও না। আমি যে তোমারি শুধু জীবনে মরণে আমি যে তোমারি শুধু জীবনে মরণে ধরিয়া রাখিতে চাহি নয়নে নয়নে। যে কথা বলিতে বাজে, যে ব্যথা মরমে কাঁদে সে কথা বলিতে ওগো দাও জীবন রজনী জানি এমনি পোহাবে জীবন...

বুঝবে না কেউ বুঝবে না

বুঝবে না কেউ বুঝবে না কি যে মনের ব্যথা অন্ধ খনির অন্তরে থাকে যে সোনা সবাই জানে তারই কথা — বুঝবে না যদি এমন হতো যত বেদনা নিজেরই মতন করে যেতো গো শোনা লালে লাল ফুলে ফুলে ভরে যেত গো দূর থেকেই দেখে তাকে যেত গো চেনা বুঝবে না কেউ বুঝবে না মনের গভীরতা আমি তোমার কোন দোষ...

আজ নয় গুন গুন গুঞ্জন প্রেমে

আজ নয় গুন গুন গুঞ্জন প্রেমে চাঁদ ফুল জোছনার গান আর নয় ওগো প্রিয় মোর খোল বাহু ডোর পৃথিবী তোমারে চায়। আর নয় নিস্ফল ক্রন্দন শুধু নিজের স্বার্থের বন্ধন খুলে দাও জানালা আসুক সারা বিশ্বের বেদনার স্পন্দন ধরনীর ধুলি হোক চন্দন টিকা তার মাখে আজ পরে নাও পরে নাও পরে নাও। কার ঘরে...

ওগো আর তো কিছু নয়

ওগো আর কিছু তো নয়, বিদায় নেবার আগে তাই তোমারি নয়নে পাওয়া তোমারি সুরে গাওয়া এ গান খানি রেখে যাই। বরষা হয়ে তুমি আকাশ ভরে হৃদয় মরুতে মম পরেছ ঝরে সরস করিয়া মোরে যে ফুল ফোটালে ভোরে এমালা তারি রেখে যাই। জানিনা কখন মন হারায়ে গেল সকলি হারায়ে বুঝি সকলি পেল আজকে আশার নদী উদাসে...

ও বাঁশী কেন গায় আমারে কাঁদায়

ও বাঁশী কেন গায় আমারে কাঁদায় কে গেছে হারায়ে স্বণের বেদনায় কেন মনে এনে দেয়। ও বাঁশী কখনও আনন্দ ছিল জীবনের ছন্দে হৃদয় মাতাল হতো ফাগুনের গন্ধে সে যেন কোথায় আমি বা কোথায় যদি না জানা। তমাল কদম্ব আমার গোপিনী সপিনি যমুনা উজান গেছে আরতো দেখিনি সাধ যদি যায় ধুলিতে মিলায় তবু কেন...

যারে যারে উড়ে যারে পাখী

যারে যারে উড়ে যারে পাখী ফুরালো প্রাণের মেলা শেষ হয়ে এলো বেলা আর কেন মিছে তোরে বেঁধে রাখি। আকাশে আকাশে ফিরে যারে ফিরে আপন নীড়ে শ্যামল মাটির বনছায় শুধু মনে মনে তোকে ডাকি চাহিনা খেলিতে খেলা শেষ হয়ে এলো বেলা আর কেন মিছে তোরে বেঁধে রাখি। আমারই স্বপ্ন হয়ে আর কত কি এনেছ...

আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাব

আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাব হারিয়ে যাব আমি তোমার সাথে সেই অঙ্গীকারের রাখী পরিয়ে দিতে কিছু সময় রেখো তোমার হাতে।। কিছু স্বপ্নে দেখা, কিছু গল্পে শোনা ছিলো কল্পনা জাল এই প্রাণে বোনা তার অনুরাগের রাঙা তুলির ছোঁয়া নাও বুলিয়ে নয়ন পাতে।। তুমি ভাসাও আমায় এই চলার স্রোতে চির...

আকাশ প্রদীপ জ্বলে

আকাশ প্রদীপ জ্বলে দূরের তারার পানে চেয়ে, আমার নয়ন দু’টি শুধুই তোমারে চাহে ব্যথার বাদলে যায় ছেয়ে।। বয়ে চলে আঁধি আর রাত্রি আমি চলি দিশাহীন যাত্রী দূর অজানার পারে আকুল আশার খেয়া বেয়ে।। কত কাল আর কত কাল এই পথচলা ওগো চলবে কত রাত এই হিয়া আকাশ প্রদীপ হয়ে জ্বলবে কোনো...

সব লাল পাথরই তো চুনি হতে পারে না

সব লাল পাথরই তো চুনি হতে পারে না সব প্রেম মিলনের মালা পেতে পারে না পাশাপাশি দুটি ফুল ফোটে যে বাগিচায় একজন ঠাঁই পায় দেবতার দুটি পায় সমাধীর বেদী তার ভরে যায় একজন সব ফুল দেবালয়ে পার্ না তো যেতে হায় । কেউ বা হাসে সারাটি জীবন অশ্রু ঝরায় কারও বা নয়ন কেউ বা দু হাতে কেবলই...

রিনিক ঝিনিক ছন্দে

রিনিক ঝিনিক ছন্দে যমুনায় কে যায় কনক কনক কাঁখে কলস অলস পায় পায় | রিনি ঝিনি রিনি ঝিনি বাজে কিঙ্কিনী চিনি চিনি অপরূপ মরি কিবা শ্রীমতীর রূপবিতা ময়ূরী দোলায় গ্রীবা তারি পানে চায় | তার নয়নকমল কলি, তারি পায়ে দুটি অলি অকারণে শুধু চলি, কি যে সুখ পায় | তার শিথিল করবী হতে গরবী...

তোমাদের আসরে আজ

তোমাদের আসরে আজ এই তো প্রথম গাইতে আসা বিনিময় চাই তোমাদের প্রশংসা আর ভালবাসা একদিন তানপুরাটার যে তার গুলো নীরব ছিল কে যেন আজ তার গুলো কে নতুন সুরে জাগিয়ে দিল প্রাণে যে সুর লাগিয়ে দিল, মনে যে সুর লাগিয়ে দিল গানই আমার জীবন ওগো, গানই আমার ভালবাসা তোমাদের আসরে আজ এই তো...