সৈয়দ আব্দুল হাদী : Tag

কেন তারে আমি এত ভালোবাসলাম

কেন তারে আমি এত ভালোবাসলাম

কেন তারে আমি এত ভালোবাসলাম হয়তো আমারি ভুল পোড়াতে প্রেমেরই ভুল কাঁটাগুলি গেঁথে নিলাম বলেছিল আমারে ভুলোনা ব্যথা দিয়ে তুমি চলে যেও না (হায়) সবই যে ছিল তারই ছলনা জেনে-শুনে এ হৃদয় পুড়ালাম ভুল শুধু ভুল হয়ে রইল নীরবে নীরবে মন কাঁদল (হায়) স্মৃতিগুলো বুকে বিঁধে থাকল...
কারো আপন হইতে পারলি না অন্তর

কারো আপন হইতে পারলি না অন্তর

কারো আপন হইতে পারলি না অন্তর আমার ভালবাসার শূন্য ভিটায় কেউ বাঁধল না ঘর ব্যথা দেয়ার মানুষ আছে কথা দেয়ার নাই আশার পাখি খাঁচায় বাইন্ধ্যা আশায় দিন কাটাই আমি কাঁদিতেও পারতাম যদি চোখের জলে পাইতাম নদী পাইলাম বালুচর জ্বালা হইল গলার মালা অঙ্গার হইল মন বাহিরে বসন্ত আসে ভিতরে...

চলে যায় যদি কেউ বাঁধন ছিড়ে

চলে যায় যদি কেউ বাঁধন ছিড়ে কাঁদিস কেন মন ভাঙ্গা গড়া এই জীবনে আছে সর্বক্ষণ।। চলে যায় যদি কেউ হাসির পরে কান্না আছে দুখের পরে সুখ। আধার রাতের শেষে যেমন দেখিস আলোর মুখ জন্ম নিলে সবার তরে আছেরে মরন ভাঙ্গা গড়া এই জীবনে আছে সর্বক্ষণ।। দুদিনেরেই দুনিয়াতে সবাই মুসাফির। এ...

জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো

জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো আর কতদিন বল সইবো আবার আদেশ করো তুমি আদেশ করো ভাঙ্গনের খেলা খেলবো।। আমার এ ব্যাথা ভরা গান ফুল পাখি নিয়ে নয় দুখে আগুনে পোড়া প্রান শুধু কেদে কেদে কয় ও মা তোমার ভাঙ্গা সংসার কবে যে সুখে ভরে তুলবো।। আমি তো দেখিনি আলো জীবনে কোনদিন এত আশা ভালবাসা আধারে...

তোমাদের সুখের এই নীড়ে

তোমাদের সুখের এই নীড়ে আমাকে খোজ না বন্ধু আমি তো চলেছি ধীরে।। আজ এই আসরে বন্ধু আমি শেষ গান শুনিয়ে যাব অশ্রু লুকিয়ে বন্ধু আমি স্বপ্নে রাঙ্গিয়ে দেব এই প্রেম কেঁদে যাক বন্ধু আমার হৃদয় ভীড়ে।। দুঃখ করি না বন্ধু আমি ঝঞ্ঝার আকাশে পাখি দীর্ঘ নিশাসে বন্ধু আমি কান্তির ঠিকানা...

এক হৃদয়হীনার কাছে

এক হৃদয়হীনার কাছে হৃদয়ের দাম কী আছে সে আছে নিজকে নিয়ে আমি তো আপন দোষে পেলাম শুধু অথৈ যন্ত্রণা সে তো যাবে চলে সবই যাবে ভুলে নিঠুর সে সজনী আমি যাব কেঁদে তারেই সেধে সেধে জেগে শুধু রজনী নীরবে নীরবে হৃদয় দেয়া ছলে হৃদয় গেছে দলে আমি তো মরেছি পাথর ভালোবেসে চোখে অবশেষে নদীকে...

এমনতো প্রেম হয়

এমনতো প্রেম হয় ও… চোখের জলে কথা কয় নিজে নিজে জ্বলে পুড়ে ও… পাষাণে বাঁধে যে হৃদয় ও… যা কিছু আমার ছিল দিয়েছি তারে ও… ভালোবাসা চিরদিন এমনি করে শত জ্বালা বুকে নিয়ে ও… কেঁদে কেঁদে স্মৃতি হয়ে রয় ও… ফুল ফোটে ঝরে যায় এইত রীতি ও… তবু...

চোখের নজর এমনি কইরা

চোখের নজর এমনি কইরা একদিন ক্ষইয়া যাবে জোয়ার ভাটায় পইড়া দুই চোখ নদী হইয়া যাবে পোড়া চোখে যা দেখিলাম তাই রইয়া যাবে সকল কথার মরণ হইলে হৃদয় কথা কয় সেই কথাও চোখের কাছে নয়রে গোপন নয় চোখেরই নাম আরশী নগর একে একে মনের খবর সে তো কইয়া যাবে এই চক্ষুতে রৌদ্র ওঠে আবার ওঠে ঝড় এই...

একবার যদি কেউ ভালোবাসতো

একবার যদি কেউ ভালোবাসতো আমার নয়ন দুটি জলে ভাসতো আর ভালোবাসতো এ জীবন তবু কিছু না কিছু পেত যদি এমন হতো একটি কথা আমায় বলে কেউ ভেঙে দিত সব নীরবতা এ জীবন তবু কিছু না কিছু পেত যদি এমন হতো একটি শ্রাবণ আমায় কাঁদিয়ে বলে যেত সে এইতো মরণ এ জীবন তবু কিছু না কিছু পেত...

কি করে বলিব আমি

কি করে বলিব আমি আমার মনে বড় জ্বালা কেউ কোনদিন আমারে তো কথা দিল না বিনিসুতার মালাখানি গাঁথা হলোনা ও… এই জ্বালা যে এমন জ্বালা যায়না মুখে বলা ধরতে গেলে সোনার অঙ্গ (তোমার) পুড়ে হবে কালা লালন মরল জল পিপাসায় থাকতে নদী মেঘনা (আমার) হাতের কাছে ভরা কলস তৃষ্ণা মেটে না...

কেউ কোনোদিন আমারে তো কথা দিল না

কেউ কোনোদিন আমারে তো কথা দিল না বিনিসুতার মালা খানি গাঁথা হলো না ও, এই জ্বালা যে এমন জ্বালা যায়না মুখে বলা বুঝতে গেলে সোনার অঙ্গ (তোমার) পুড়ে হবে কালা ও, লালন মরলো জল পিপাসায় থাকলে নদী মেঘনা (আমার) হাতের কাছে ভরা কলস তিষ্ণা মেটে না ও, ভালোবাসার অপরাধে হয়েছিল দোষী...

আছেন আমার মোক্তার

আছেন আমার মোক্তার আছেন আমার ব্যারিস্টার।। শেষ বিচারের হাইকোর্টেতে তিনিই আমায় করবেন পার আমি পাপী তিনি জামিনদার।। মনের ঘরে তালা দিয়া চাবি লইয়া আছেন সাঁই আমি অধম সাধ্য কি তার হুকুম ছাড়া বাইরে যাই ।। দুই কান্দে দুই মুহূরি লিখতে আছেন ডাইরি।। দলিল দেইখা রায় দিবেন টাকা পয়সার...