সোলস : Tag

এ এমন পরিচয় অনুমতি প্রার্থনা

এ এমন পরিচয়, অনুমতি প্রার্থনা সবিনয় নিবেদন কিছুই যে লাগে না নিজেরই অজান্তে, হৃদয়ের অনন্তে কিছু কথা ভালো লাগা করে যায় রচনা নিরালায় একা একা, এলো মেলো ভাবনায় কত কথা বলে যাই, শুধু তারই সাথে এ যেন কল্পনা, মিলন মোহনা রঙীন চাদর বুনা এ এমন বিনিময়, কিছু শুভ সূচনা এ এমন...

সুস্মিতা দুঃখ করোনা

সুস্মিতা দুঃখ করোনা ভূল যদি হয়েই থাকে কর ক্ষমা ও সুস্মিতা দুঃখ করোনা ভাবছো যতটা কষ্ট দিয়েছি আসলে কি বল তা দুঃখ না পেলে বুঝবে কি করে সুখের গভীরতা ঘুর্ণাক্ষরে জানতে চেওনা নীভিতচারীর কথা স্মৃতির ধূলোয় থাকনা পড়ে লুকানো সে কবিতা...

মিস করছি ভীষণ

একলা ঘর, ধূলো জমা গীটার পড়ে আছে লেলিন, পড়ে আছে শেক্সপিয়র, টিশার্ট জিন্সগুলো ফেলা যে আছে শুধু মানুষটা তুই নেইতো, নেইরে কাছে ও বন্ধু তোকে মিস্‌ করছি ভীষণ তোকে ছাড়া কিছুই আর জমেনা এখন। তোকে ছাড়া হয়না টিউন, হয়না লেখা বৃষ্টির সাথেও এখন হয়না দেখা, থমকে যায় হয় মনে এইবুঝি এসে...

কেন এই নিঃসঙ্গতা

কেন এই নিঃসঙ্গতা কেন এই মৌনতা আমাকে ঘিরে কেউ না জানুক কার কারণে কেউ না জানুক কার স্বরণে মন পিছু টানে তবুও জীবন যাচ্ছে কেটে জীবনের নিয়মে স্বপ্ন গুলো অন্য কারো ভুলগুলো আমারি কান্নাগুলো থাক দু চোখে কষ্ট আমারি ভেবে নেব প্রেম আলেয়ার আধারি ইচ্ছে গুলো থাক হৃদয়ে ব্যর্থতা...

মুখরিত জীবন

এই মুখরিত জীবনের চলার বাঁকে অজানা হাজার কত কাজের ভিড়ে ছোট্টবেলার শত রঙ করা মুখ সুর তোলে আজও এই মনকে ঘিরে। ঝিনুক শামুকে ভরা বালুর চরে ঢেউয়ের সাথে নেচেছি, রঙ্গিন স্বপ্নে গাঁথা স্মৃতির মালা সৈকতে ফেলে এসেছি। ওরে ছুটে চল সেই সাগরো তীরে ওরে খুঁজে নেই চল, ফেলে আসা মুক্ত...

অভিমান

অভিমান না করিনি অনুযোগ কিছুই করিনি আনুরোধ শুধু যে তোমায় যন্ত্রনা আর দিওনা আজ আমার আকাশ মেঘে ডাকা বিশীতল দুচোখ একেলা মিলনের মোহনায় বুঝি আর দেখা হবেনা আবেগের নদী স্রোতহীনা বুকে তাই ধূসর বেদনা স্মরণের আঙ্গিনায় স্মৃতি আর ফিরে আসেনা...

দেখা হবে বন্ধু কারণে আর অকারণে

দেখা হবে বন্ধু কারণে আর অকারণে দেখা হবে বন্ধু চাপা কোনো অভিমানে দেখা হবে বন্ধু সাময়িক বৈরিতায় অস্থির অপাগরতায় দেখা হবে বন্ধু নাটকীয় কোনো বিনয়ী ভঙ্গিতে ভালোবাসার শুভ্র ইঙ্গিতে দেখা হবে বন্ধু নিয়ত প্রতিদিন পাশ কেটে যাওয়া সন্ধ্যার হিমেল হাওয়ায় দেখা হবে বন্ধু শ্লোগান মুখর...

স্বপ্ন সবাই দেখে

স্বপ্ন সবাই দেখে ক’জনার সত্যি হয় কি করে বলি দুঃস্বপ্নের রাত দু’চোখে সবারই সুখ আসে ক’জনা সুখী হয় আমার সুখে এখন অজানা দুঃখ ভীড় করে ক্ষয়ে যাওয়া অধিকার পিছু টানে বারেবার হারানো ক্ষণ দু’জনা পিছু টানে বারেবার কিছু প্রহর নীরবে কিছু প্রহর বিরহে কিছু কাটে ভাবতে কিছু স্মৃতি...

বৃষ্টি দেখে অনেক কেঁদেছি

বৃষ্টি দেখে অনেক কেঁদেছি করেছি কতই আর্তনাদ দু’চোখের জলে ভাসাবো বলে তোমাকে আজ কাঁদাবো বলে মেঘের ডানায় পাঠিয়ে দিলাম আমি হাজার বর্ষা রাত… দক্ষিণা বাতাসে তোমার ভীরু দীর্ঘশ্বাস আঁধার ঝড়াবে আমার প্রিয় সর্বনাশ মেঘের ডানায় পাঠিয়ে দিলাম আমি হাজার বর্ষা রাত… জানালার ওপাশে...

কেন সেই হৃদয়হীনা

ফেরারী স্মৃতিগুলো হঠাত এসে বলে আমায় জমে থাকা সুখগুলো কেঁদে কেঁদে ডাকে আমায় তাই প্রশ্ন জাগে মনে কেন সেই হৃদয়হীনা ভেঙেছে হৃদয় আমার সন্দেহ চুপি চুপি এমনে বাসা বাঁধে অনুনয় প্রতিবাদের ঝড় তখন শুধু কাঁদে মায়াময় একাকিত্বতা বিষাদেরই মাঝে হৃদয়ের রঙতুলি এঁকে যাই ভুল ছবি না...

রিমঝিম ঝিম বৃষ্টি পড়ে

রিমঝিম ঝিম বৃষ্টি পড়ে মন দরিয়ায় তুফান ওড়ে উড়ু উড়ু হাওয়াতে আজ ধুম লেগেছে পাগলা পালে মনের মানুষ এমন দিনে মনে পড়ে যায় মনের খবর তারে কি করে জানাই আকাশ হলে তোমার চোখে হারাতাম মেঘ হলে তোমার উড়িয়ে নিতাম নদী হলে ঠিকই খুঁজে পেতাম হয়তো হৃদয়ের মোহ নাই রাত্রি হলে কাছে যেতাম দুপুর...

সেই কবে তোমায় ভেবে

সেই কবে তোমায় ভেবে ছোট্ট কিছু কথা দিয়ে নক্সীকাঁথা বুনে ছিলাম কবিতায় রাঙিয়ে বিবর্ণ হয়ে গেছে আবর্তিত ব্যথা কিযে দুঃসহ এ মন পুড়িয়ে দিয়ে ফিরে ফিরে আসে ভাবে নির্মোহ ভেঙে ভেঙে যাই এ প্রান্তে বিবর্ণ হয়ে গেছে অনুভবে রয়েছ ভাঙা এ হৃদয়ে ফিরিয়ে নিতে চাই নিজেকে নিজস্ব আঙিনায়...

সারাদিন তোমায় ভেবে

সারাদিন তোমায় ভেবে হলো না আমার কোন কাজ হলো না তোমাকে পাওয়া দিন যে বৃথাই গেল আজ সারাদিন গাছের ছায়ায় উদাসী দুপুর কেটেছে যা শুনে ভেবেছি এসেছো সে শুধু পাতারই আওয়াজ হাওয়া রা হঠাৎ এসে জানালো তুমি তো আমার কাছে আসবে না এক হৃদয় হয়ে ভাসবে না তবে কি একাই থাকবো তবে কি আমার কেউ...

মন শুধু মন ছুঁয়েছে

মন শুধু মন ছুঁয়েছে ও সেতো মুখ খুলেনি সুর শুধু সুর তুলেছে ভাষা তো দেয় নি চোখের দৃষ্টি যেন মনের গীতি কবিতা বুকের ভালোবাসা যেথায় রয়েছে গাঁথা আমিতো সেই কবিতা পড়েছি মনে মনে সুর দিয়েছি কেউ জানে নি যখনি তোমার চোখে আমার মুখ খানি দেখি স্বপনও কুসুম থেকে হৃদয়ে সুরভি মাখি তুমি কি...

ভালোবাসি ঐ সবুজ মেলা

ভালোবাসি ঐ সবুজ মেলা প্রান জুড়ানো তার শ্যামল ছায়া মন মাতানো বাঁশির সুরে প্রিয় লোকালয় আসে ফিরে সেখানে ঝিরঝির বাতাসে রোদেলা দুপুরে সুর তুলে নূপুরে চারিদিকে পায়ে চলা মেঠোপথ দুই ধারে কাশবন দোলা দেয় মনে রিমঝিমঝিম বৃষ্টি ভালো লাগে আলতো ছোঁয়া তার ভালো লাগে ভালো লাগে একা একা...

ফরেস্ট হিলে এক দুপুরে

ফরেস্ট হিলে এক দুপুরে কথা ছিলো তুমি আসবে সব চোখ ফাঁকি দিয়ে বুকে ভালোবাসা নিয়ে আসবে আমায় ভালোবাসবে অনেক প্রহর নিঃসঙ্গ সাঁওতালী গানের সুরে কাটিয়ে দিলাম তোমায় ভেবে ঝাউ মহুয়ার বনে কথা দিয়ে তুমি এলে না যখন এখন আমার কি হবে বিষন্নতা সঙ্গী এখন দুঃখ গলার মালা তোমার স্মৃতিগুলো...

কলেজের করিডোরে দেখেছি

কলেজের করিডোরে দেখেছি চোখদুটি ছিলো যার সুন্দর মোনালিসা হাসি দিয়ে বেঁধেছে সে যে এই বিরহের অন্তর আলাপের প্রয়োজনে একদিন শিরীষ গাছের নিচে দাড়িয়ে নির্জনে একা পেয়ে বললাম লজ্জার আবরন সরিয়ে তুমি তো বোঝালে জীবনের মানে কত সুন্দর দুপুরের খর রোদে সেই চোখ দীঘির জলের মত শান্ত...